April 7, 2026, 5:48 am

সংবাদ শিরোনাম
মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

উসকানিমূলক প্রশ্ন: রাবি চারুকলা অনুষদের ডিনের পদত্যাগ

উসকানিমূলক প্রশ্ন: রাবি চারুকলা অনুষদের ডিনের পদত্যাগ

mostbet

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান পদত্যাগ করেছেন। গতকাল রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সোবহানের কাছে তিনি এ পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর আগে রাবি’র সিন্ডিকেট সভায় তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে সুপারিশ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকারবলেন, ‘ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে উপাচার্যের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান। উপাচার্য তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।’

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, চারুকলা অনুষদের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ধর্মীয় উসকানিমূলক প্রশ্ন করার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় এ বিষয়ে তদন্ত করতে শুরু করে। গত ৬ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৭৪ তম সিন্ডিকেট সভায় ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে উসকানিমূলক দুইটি প্রশ্ন রাখার দায়ে অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান এবং প্রশ্নপত্র প্রণয়নকারী চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জিল্লুর রহমাকে আগামি দশ বছরের জন্য সকল প্রকার পরীক্ষা কার্যক্রমে নিষিদ্ধ করা হয়। একই সঙ্গে আইনগত কোনও বাধা না থাকলে অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানকে ডিনের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৫ অক্টোবর ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের চারুকলা অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ধর্মীয় উসকানিমূলক দুইটি প্রশ্ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। ওই প্রশ্ন দুটির একটি হলো- পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থের নাম কী? এ প্রশ্নের চারটি অপশন ছিল: (ক) পবিত্র কুরআন শরীফ (খ) পবিত্র বাইবেল (গ) পবিত্র ইঞ্জিল (ঘ) গীতা। অন্য প্রশ্নটি হলো- মুসলমান রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের সেনা বাহিনী ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা সশস্ত্র হামলা চালায় কত তারিখে?

এ প্রশ্ন দুইটিকে সাম্প্রদায়িক উসকানি উল্লেখ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। পরে ২৮ অক্টোবর উপ-উপার্চায অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহাকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ওই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পরই সিন্ডিকেটে দুই শিক্ষককে সাজা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর